ওয়াই-ফাই কানেকশনে আটকে যাচ্ছে আমাদের ছেলে-মেয়েরা: মুনির হাসান

২০০৫ সালে প্রথম গণিত ক্যাম্পে অংশ নেয় হাসনাইন হেইকেল। সেটাই তার প্রথম ও শেষ ক্যাম্প ছিল কারণ এইচএসসি শেষ হবে। কাজে ক্যাম্প শেষে চট্টগ্রামে গিয়ে নাজিয়া চৌধুরীকে খুঁজে বের করে তার প্রস্তুতি ও বই গুলো নাজিয়াকে দিয়ে দেয়। নাজিয়া আমাদের প্রথম দুই মেডালিস্টের একজন।

ক্যাম্প করতে করতে তারিক আদনান মুন কুষ্টিয়া ম্যাথ সার্কেল চালু করে। উদ্দশ্য ক্যাম্প থেকে পাওয়া তার অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে দেওয়া।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের ছাত্র সৌমিত্র চক্রবর্তী ময়মনসিংহে একটা প্যারালাল ম্যাথ স্কুল চালু করে। ঠিক পড়েছেন ম্যাথ স্কুল, মেডিকেল ভর্তির কোচিং নয়। শাবিপ্রবির শিক্ষার্থী তামিম শাহরিয়ার সুবিন ছুটির দনে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সিলেটে শহরে এসে একটা প্যারালাল ম্যাথ স্কুল চালাতে শুরু করে। সুব্রত দেব নাথ ফার্মগেটে চালু করে জ্যামিতির ইশকুল।

চমক হাসান, অভীক রায় ও একদল ছেলেমেয়ে নিজেদের ছুটির সময়ে দেশের নানা প্রান্তে নাম্বার ট্যুরে ঘুরে বেড়াতে শুরু করে।

আর এখন আমাদের ছেলেমেয়েরা যেখানে ওয়াই ফাই কানেকশন পায় সেখানেই আটকে যায়। নিজের একাধিক মেডাল থাকা স্বত্তেও নতুন কাউকে জায়গা ছেড়ে দিতে চায় না। ম্যাথ সার্কেল তো দূরের কথা বন্ধুদেরও দেখিয়ে দিতে তাদের মনে সায় দেয় না।

হাজার মানুষের মধ্যে একা বা কয়েকজন মিলে কুয়ার মধ্যে থাকে।

সময়ের দোষ?

লেখক: মুনির হাসান প্রথম আলোর যুব উন্নয়ন বিভাগের প্রধান

error: কপি না করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।