বেলা সাড়ে ১১টায় মাওয়া পয়েন্টে টোল পরিশোধের পর উদ্বোধনী ফলক ও ম্যুরাল-১ উন্মোচনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সেখানে মোনাজাতেও যোগ দেন। উদ্বোধনী ফলক ও ম্যুরাল-১ উন্মোচনে ছিল রঙিন এক বর্ণিল আয়োজন। পরে পদ্মাসেতুর উপর প্রধানমন্ত্রী গড়ির বহর থামিয়ে উপভোগ করেন বিমান বাহিনীর বিশেষ প্রদর্শনী, দীর্ষক্ষণ বিমান বাহিনীর এই পদর্শনী উপভোগ করতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীকে।
এর আগে ২৫ জুন শনিবার সকালে কর্মসূচির হিসেবে মাওয়া পয়েন্টে স্মারক ডাকটিকিট, স্যুভেনির শিট, উদ্বোধনী খাম এবং বিশেষ সিলমোহর উন্মোচন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন,  এই পদ্মসেতু শুধু ইট পাথর আর রড সেমেন্টের সেতু না । এটা আমাদের গর্ব, আমাদের অহংকার, আমাদের সৃজনশীলতা। বঙ্গবন্ধু বলেছিল কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না। কেউ দাবায়ে রাখতে পারেনি।
বঙ্গবন্ধু কখনো মাথা নত করেনি। আমরা কখনও মাথা নত করবো না । আমরা বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথে হেটে আজ আমরা বিশ্বের বুকে মা্থা উচু করে দাড়াঁতে পারছি। যারা পদ্মাসেতুর বিরোধীতা করেছিল কারও প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই ।
কান্না জড়িত কন্ঠে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমার বাবা মায়ের দোয়া আমার প্রতি ছিল বলেই আমি মানুষের জন্য কাজ করে যেতে পারছি। যারা পদ্মাসেতুর বিরোধীতা করেছে তাদের মধ্যে শুভ বুদ্ধি উদয় হোক। তারাও দেশ প্রেমিক হোক এটাই কামনা ।
দেশ ও দেশের মানুষের বিপদে পাশে থাকতে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সবাইকে শপথের আহবান জানান প্রধানমন্ত্রী।
error: কপি না করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।