উচ্চ মাধ্যমিকের ইংরেজি প্রথম পত্রের একটি অধ্যায়ে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটবলারদের সাফল্য ও সম্ভাবনার গল্প। সমাজের প্রতিবন্ধকতা দূর করে তহুরা, মার্জিয়ারা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশকে সাফল্য উপহার দিচ্ছেন। সেই গল্প গুলো তরুণ শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা দিবে এমনটিই প্রত্যাশা ক্রীড়াঙ্গনের বিশেষ ব্যক্তিদের।
পাঠ্যক্রমে তহুরা-সানজিদাদের গল্প থাকায় অন্য নারীরাও ফুটবল ও ক্রীড়াঙ্গনের প্রতি আগ্রহী হবে বলে মনে করেন নারী দলের হেড কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন, ‘মেয়েরা ফুটবলে অনেক কষ্ট করে এই পর্যায়ে এসেছে। তাদের সেই কষ্টের গল্পগুলো অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণা হবে। বিশেষ করে অনেক নারী ফুটবলার এতে উৎসাহ পাবেন।’
দেশের শিক্ষা বোর্ডকে ধন্যবাদ জানিয়ে মহিলা ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ বলেন, ‘এটি অত্যন্ত প্রশংসনীয় উদ্যোগ। সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানাই। আমার অনুরোধ থাকবে মাধ্যমিক পর্যায়েও নারী ফুটবলারদের বিষয়টি তুলে ধরার।’

 

আরও পড়ুন : 

১. ছোট ভাইকে হারানোর বর্ণনা দিলেন ফুটবলার রিতুপর্ণা চাকমা

২. নারী ফুটবলে সাফল্যের রূপকার মাহফুজা কিরণ!

৩. কাতার বিশ্বকাপে চিকিৎসক দলের প্রধান হচ্ছেন বাংলাদেশি ডাক্তার আয়েশা

error: কপি না করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।